ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫ , ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যাঙ্ককে পৌঁছলেন প্রধান উপদেষ্টা ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত ঢাকার বাতাস আজও ‘অস্বাস্থ্যকর’ মার্কিন পণ্যে শুল্ক বাড়ানোর প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন প্রেস সচিব জলবসন্ত হলে খাবেন না ৪ খাবার রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা ঋণের অর্থ ছাড়ের আগে শনিবার ঢাকা আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল বিমসটেক সম্মেলন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পযার্য়ের বৈঠক চলছে বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ বন্ধুরা মিলে মদ পানে ৩ জনের মৃত্যু, অসুস্থ ৮ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান হচ্ছেন ড. ইউনূস শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত প্রতিবেদন জমা এনসিপির অভিযোগ— স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ নেই ফোর্বসের প্রতিবেদন: বিশ্বধনীদের তালিকায় শীর্ষে যারা তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা আবহাওয়া অফিসের ট্রেন থেকে ছোড়া পানির বোতল বুকে লেগে কিশোরের মৃত্যু ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে ২ যুবকের মৃত্যু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ, পাকিস্তান ও ভারতীয় সেনাদের গোলাগুলি আমার ওপর যুদ্ধাপরাধের মামলা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে : জামায়াতের আমির ব্যাঙ্ককে ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

তুমি কি মরতে যাচ্ছ সাইফ আলীকে তৈমুরের প্রশ্ন

  • আপলোড সময় : ১০-০২-২০২৫ ০১:২৩:৫৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০২-২০২৫ ০১:২৫:১৫ অপরাহ্ন
তুমি কি মরতে যাচ্ছ সাইফ আলীকে তৈমুরের প্রশ্ন
গত মাসে নিজের বাড়িতে হামলার শিকার হন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান। ১৬ জানুয়ারি সেই অনুপ্রবেশকারীকে আটকাতে গিয়ে আহত হন অভিনেতা। এমনকি ছুরির একটা অংশ গেঁথে যায় তাঁর মেরুদণ্ডের পাশে।যা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বের করা হয়। ঘাড়েও চোট পান তিনি। এ ঘটনার পর পাঁচ দিন হাসপাতালে কেটেছে সাইফের। বাড়ি ফেরার পর গত সপ্তাহে একটি সিনেমার প্রচারে হাজির হয়েছিলেন, তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেননি। অবশেষে আলোচিত সেই ঘটনা নিয়ে বোম্বে টাইমসের সঙ্গে কথা বলেছেন অভিনেতা।


সাইফ জানিয়েছেন, হামলাকারীর সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে আহত হওয়ার পর তাঁর কুর্তা রক্তে ভেসে গিয়েছিল। সাইফের স্ত্রী কারিনা ও দুই ছেলে তৈমুর ও জেহ নিচে নেমে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য অটো বা ক্যাব খোঁজার চেষ্টা করেন।সাইফের ভাষ্য, ‘আমি বললাম, ব্যথা লাগছে। পিঠেও সমস্যা হচ্ছে। ও (কারিনা) বলল, “তুমি হাসপাতালে যাও, আমি ছেলেদের নিয়ে বোনের (কারিশমা) বাড়ি চলে যাব।” ও পাগলের মতো ফোন করছে একে–ওকে। কেউ ফোন তুলছিল না। এরপর ও অসহায়ের মতো তাকায় আমার দিকে। আমি শান্ত করতে বলি, আমি ভালো আছি। আমি মরব না। এরপর তৈমুরও আমাকে প্রশ্ন করে, “তুমি কি মরতে যাচ্ছ?” আমি ওকেও বলি, না।’প্রাথমিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল যে সাইফের বড় ছেলে ইব্রাহিম তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে লীলাবতী হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, আহত সাইফের সঙ্গে আসে আট বছরের তৈমুর।

এ প্রসঙ্গে সাইফ বলেন, ‘ও (তৈমুর) ভীষণ ঠান্ডা মাথায় ছিল। আমাকে বলল, “আমি তোমার সঙ্গে আসছি।” আমারও তখন মনে একটা ভয় কাজ করছিল, যদি কিছু হয়ে যায়…ওকে দেখে আসলে খুব শান্তি লাগছিল। আমিও একা হাসপাতালে যেতে চাইনি। আমার স্ত্রী জেনেই ওকে সঙ্গে পাঠিয়েছিল, ও কী করতে পারে। আমার তখন ভালো লাগছিল যে তৈমুর সঙ্গে যাচ্ছে। মনে হচ্ছিল সৃষ্টিকর্তা না করুন যদি কিছু হয়ে যায়…ও তো সঙ্গে থাকবে। আর ও নিজেও সেটা চাইছে। তখন আমরা তিনজনই হাসপাতালে চলে যাই, আমি, তৈমুর আর হরি, অটোয় চেপে।’

হামলার দিনই অভিনেতার দুটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। চিকিৎসকের দায়িত্বে থাকা ডাক্তার জানিয়েছেন, তাঁর শরীরে ছয়টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যার মধ্যে দুটি আঘাত গভীর। ২১ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান সাইফ। চলতি মাসের শুরুর দিকে নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়ার একটি অনুষ্ঠানে প্রথম আসেন জনসমক্ষে। গলায় ব্যান্ডেজ ও হাতে কাস্ট নিয়েই মঞ্চে উঠে সাইফ ‘জুয়েল থিফ’-এর প্রচার করেন।

 

কমেন্ট বক্স